করোনাভাইরাসে আক্রান্ত খালেদা জিয়া

প্রকাশিত: 2:50 PM, April 11, 2021

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত খালেদা জিয়া

প্রভাতবেলা ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

আজ রবিবার হাসপাতালসহ একাধিক সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে দলের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ নিশ্চিত করতে পারেননি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন, তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট দেখেছেন। উনি ব্যক্তিগতভাবে গুলশান কার্যালয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। এখন পর্যন্ত তিনি নিশ্চিত নন।

জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে খালেদা জিয়া জ্বরে ভুগছেন। তাই তিনি করোনা সংক্রমিত কিনা জানতে শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর ঢাকার অন্যতম একটি হাসপাতালে তার করোনা পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। সেই পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, শনিবার বিকেল ৩টার দিকে ওই হাসপাতালের করোনা ইউনিট থেকে একজন টেকনোলজিস্ট খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজায় যান। এর আগে ওই হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেন খালেদার জিয়ার পরিবার ও তার চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা। রক্তের নমুনা নেওয়ার সময় খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ডা. মামুনও সেখানে ছিলেন। করোনা পরীক্ষার পাশাপাশি তার ডায়াবেটিস টেস্টের জন্যও নমুনা নেওয়া হয়। গোপনীয়তার সঙ্গে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন  ছাত্রদলের ১১ টি ইউনিটের আংশিক কমিটির অনুমোদন

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার করোনা টেস্টের রিপোর্টের একটি কপি ভাইরাল হয়েছে। সেটি কিউআর কোড স্ক্যান করলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যে ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফল জানা যায় সেখানে চলে যায়। সেখানে এই কপিটি দেখা যায়। রিপোর্টে যে ফোন নম্বরটা দেওয়া হয়েছে, সেটি বিএনপির চেয়ারপারসনের মেডিকেল টিমের টেকনোলজিস্ট মো. সবুজের। তবে তিনি খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হওয়া বা না হওয়া বিষয়ে কিছু জানেন না।

খালেদা জিয়া সরকারের নির্বাহী আদেশে জামিনে রয়েছেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল। দুই বছরের বেশি সময় কারাগারে থাকার পর গত বছর করোনা মহামারির কারণে পরিবারের আবেদনে তাকে ছয় মাসের জামিনে মুক্তি দেয় সরকার, যা তিন দফায় বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে পরিবারের সদস্য ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক বাদে অন্য কেউ দেখা করতে পারেন না।

সর্বশেষ সংবাদ