ভূয়া এমএলএম কোম্পানির ১০ সদস্য গেপ্তার

প্রকাশিত: 1:50 PM, June 2, 2016

ভূয়া এমএলএম কোম্পানির ১০ সদস্য গেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা: সাভার জামগড়া ভুইয়া ন্যাশনাল প্লাজা-০১, ৩য় তলায় অভিযান চালিয়ে ভুয়া এমএলএম কোম্পানির ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা।

গত সোমবার দূপুর ২টা থেকে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার অভিযান শুরু হয়। গ্রেপ্তাররা হল-সুমন ভুইয়া.(৪৫) হায়দার কবির মিতুন (৪২), শফিক আহমেদ (৩৮), কাজি মেরাজ (৩০), রাসেল আহমদ (২৭), সুমন আহমেদ রানা (২৮), আবদাল হোসেন(৩৪). ফয়ছল আহমেদ(২৫).সাখাওয়াত হোসেন মিলন (৫২) জাহাঈীর আহমদ (২৯)।

র‌্যাব-১ এর প্রধান লৈঃ কণেল মাসুদ রানা বলেন সিলেট থেকে আসা প্রতারিত আব্দুল মুহিত, পাবেল আহমেদ ও আরও কয়েক যুবক এর অভিযোগের ভিওিতে এই অভিযান চালানো হয়, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা চাকরি দেয়ার জন্য লাইফওয়ে বাংলাদেশ প্রাঃ লিঃ নামের ৫টি ভুয়া প্রতিষ্ঠান খোলে।

এজন্য তারা সাভার, জামগড়ায়, ভুইয়া ন্যাশনাল প্লাজা-৩য় তলায় একটি ব্রান্স খোলে। সেখানে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে আসা বেকার যুবকদের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছিল।

গ্রাম থেকে আসা ওই যুবকদের আটকে রেখে নির্যাতন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে একটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিত এবং স্বাক্ষর না দিলে তাদেরকে বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি দিত।

আরও পড়ুন  প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রার্থীর নিকট থেকে প্রথমে নগদ ৪০-৬০ হাজার টাকা আদায় করত। পরে তাদেরকে ওই কোম্পানির মালামাল বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়া হত। টাকা জমা হলে কোম্পানির সদস্যরা নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থীদেরকে জানায় যে, তাদের কোনো মালামাল বিক্রি করার পদ্ধতি নেই বরং এই কোম্পানির মূল কার্যক্রম হচ্ছে, যেই প্রার্থীকে ওই কোম্পানিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সে একইভাবে আরও ৩ জন প্রার্থীকে ওই কোম্পানিতে ভর্তির জন্য আনতে হবে।

সে নতুন ৩ জন প্রার্থী ভর্তি করাতে পারবে। সে ওই প্রাথীদের্র জমা করা ৪০-৬০ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা বোনাস পাবে।

এরমধ্যে কোনো প্রার্থী তার টাকা ফেরত চাইলে কোম্পানির সদস্যরা তাকে মারধর করত ও মেরে ফেলার হুমকি দিত। তাদের কাছ থেকে একটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে নিরব থাকতে বাধ্য করত।

আরও পড়ুন  খুলনায় আল্লার দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

কোম্পানির সদস্যরা তাদের কোম্পানির এই সমস্ত প্রতারণার বিষয় যাতে ফাঁস না হয় সে জন্য নিয়োগ করা প্রার্থীদেরকে স্বাধীনভাবে কোম্পানির বাইরে চলাফেরা করতে দেয়া হতো না ।

ওই কোম্পানির সদস্যরা নিয়োগ করা প্রার্থীদেরকে দৈনিক খাওয়া বাবদ ৩০ টাকা করে দেয়া হতো এবং একটি নিম্মমানের জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করত।

র‌্যাব কর্মকর্তা বশির আহমেদ বলেন, একটি সংঘবব্দ চক্র ক্কমতার প্রভাব খাটিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গত পাঁচ বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অনন্ত ৩০ হাজার তরুন ও বেকার যুবকের কাছ থেকে ও কোটি কোটি টাকা হাতিয় নিয়েছে ও বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করেছে, প্রতারিত ব্যাক্তিদের সবাই অতি দরিদ্র পরিবারের সদস্য ও তারা দূরবর্তী স্তানের বাসিন্দা এ কারনে প্রতারিত হওয়ার পরও তারা আইনের আস্রয় না নিয়ে চলে যান,

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ