বিশ্বভূবন ডেস্ক♦
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইজরায়েলে তার একচ্ছত্র আধিপত্য আর থাকছেনা। পতনের ঘন্টা ধ্বনি বাজতে শুরু করেছে ইজরায়েলে।
ইজরায়েলের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গাজা, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা এবং সরকারের বিভিন্ন নীতি নিয়ে অসন্তোষের মধ্যে ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুথফেরত জরিপে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির আসন কমার আভাস
মিললেও বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, জোট গঠনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকার সুযোগ এখনো রয়েছে।
দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের নির্বাচনি ড্যাশবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে প্রকাশিত আংশিক ফলে লিকুদ পার্টি ২৯টি আসনে এগিয়ে ছিল। তবে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের ১২০টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনে প্রয়োজন ৬১টি আসন। ফলে এককভাবে সরকার গঠন করতে না পারলেও ডানপন্থি ও ধর্মীয় দলগুলোর সঙ্গে জোট গড়ে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করতে পারেন। ভোট গণনা শেষ না হওয়ায় চূড়ান্ত ফল নিয়ে এখনো নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর প্রতি অসন্তোষের পেছনে যুদ্ধ পরিচালনা, বিচারব্যবস্থায় সংস্কারের উদ্যোগ, অতি-রক্ষণশীলদের সামরিক সেবায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিতর্ক এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা ভূমিকা রেখেছে। দুর্নীতির বিচারসহ বিভিন্ন চাপও তাঁর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে অতীতেও রাজনৈতিক সংকট কাটিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছেন তিনি। বিরোধী দলগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে না পারলে জোট সরকার গঠন অথবা নতুন নির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তাই নির্বাচনে ধাক্কা খেলেও নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক পতন এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...