বিশ্বম্ভরপুরে ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট’র টাকা ও আনিস উধাও নিয়ে ধুম্রজাল!

প্রকাশিত: 2:07 PM, January 16, 2017

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্টের কথিত ৪ লাখ টাকা ও জনৈক আনিসের উধাও নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্ঠি হয়েছে। ডাচ বাংলা ব্যাংক এজেন্ট মশিউর রহমান আকঞ্জি শ্যামল অভিযোগ করছেন তার টাকা নিয়ে আনিস আত্মগোপন করেছে। এমন অভিযোগে তিনি মামলাও দায়ের করেছেন। অপরদিকে আনিসের স্ত্রী রিপা বেগম স্বামীর সন্ধান চেয়ে জিডি করেছেন থানায়। আনিসের ভাইর বক্তব্য দীর্ঘদিনের চাকুরীর জমানো টাকা দিয়েছে তার ভাই। নানা রহস্যে ঘেরা এই ঘটনা। আনিস কোথায়? কেনই বা আনিসের কাছে শ্যামল ৪ লক্ষ টাকা দিলেন? এসব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ‘ডাচ্ বাংলা ব্যাংকিং এজেন্ট’-এর ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে উদাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বাহকের কাছ থেকে। তবে নিখোঁজ বাহকের স্ত্রী দাবি করছেন তার স্বামী বিপদে পড়েছেন এই ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে। এ মর্মে তিনি বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি জিডি করেছেন। বিশ্বম্ভরপুরের ্স্থানীয় বাঘবের বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানার বাঘবর বাজারস্থ ‘ডাচ্ বাংলা ব্যাংকিং এজেন্ট’-এর মালিক বাঘবের গ্রামের পল্লি চিকিৎসক আবু মুসা আকঞ্জির ছেলে মো. মশিউর রহমান আকঞ্জি শ্যামল একই গ্রামের মো. মহর উদ্দিনের ছেলে মো. আনিস মিয়া (২৯)-কে ৪ লক্ষ দিয়ে পাঠান সুনামগঞ্জ শহরস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংকের শাখায় জমা দেওয়ার জন্য। কিন্তু ওই সময় থেকে মো. আনিস মিয়া নিখোঁজ রয়েছেন। টাকা প্রদানকারী মো. শ্যামলের অভিযোগ- আনিস ৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেছেন। এদিকে, আনিসের স্ত্রী রিপা বেগম এমন অভিযোগ অস্বীকার করে স্বামীর নিখোঁজে আতঙ্কিত। তার দাবি- বহনকৃত ৪ লক্ষ টাকাই তার স্বামীর বিপদ ডেকে এনেছে।
অন্যদিকে, শ্যামল ‘আনিস টাকা আত্মসাৎ করেছেন’ এ মর্মে তিনি বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি মামলাও দায়ের করেছেন। মামলায় শ্যামল উল্লেখ করেন- আনিস টাকা জমা না দিয়ে আত্মগোপন করে আছেন। ওই দিনই আনিস তার ভাই মো. মানিককে ৭০ হাজার টাকা প্রদানেরও অভিযোগ করেন শ্যামল।
এ বিষয়ে আনিসের ভাই মানিক মিয়া বলেন, ‘আমার ভাই জেসন ফার্মাসিউটিকেল এ চাকরি করত। প্রায় তিন বছর যাবত আনিস বাড়িতে কোনো টাকা না দিয়ে জমিয়েছে ঘর বানানোর জন্য। সেই টাকাই আমাকে প্রদান করেছে।’

সর্বশেষ সংবাদ