সিলেট | |
প্রকাশিত: 4:46 PM, January 16, 2017
প্রভাতবেলা প্রতিবেদক : সিলেট নগরীতে ক্রমশই বাড়ছে বানরের উপদ্রব। তাদের উত্যক্তের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না নগরীর শিশু-তরুণ-যুবক থেকে শুরু করে বয়স্করাও। বিশেষ করে বানরের হামলার শিকার হচ্ছেন বেশির ভাগ শিশুরাই। আচমকা দলবদ্ধ হয়ে খাবারের জন্য ছোট শিশুদের আক্রমণের পাশাপাশি বাসা-বাড়ির বিভিন্ন জিনিসপত্রও ভাঙচুর করছে।
বানরের উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে বন বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের দ্বারস্ত হয়েছিলেন ভোক্তভোগী জনসাধারণ। তবুও এদের কবল থেকে রেহাই মেলেনি। তাছাড়া লোকালয় থেকে বানর তাড়াতে কোন ব্যবস্থাও নেয়া হয়নি। ফলে এবার বানরের উৎপাত বন্ধের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন তারা।
১৫ জানুয়ারি রবিবার সকালে নগরীর আম্বরখানা এলাকায় ‘মানববন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় চার নং ওয়ার্ডসহ বৃহত্তর আম্বরখানা এলাকার বাসিন্দারা। মানববন্ধনে ‘বানরের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে সকলকে সোচ্চার ও সহযোগিতার আহ্বান’, ‘আমি শিশু আমাকে রক্ষা করুন’ এমন প্লেকার্ড নিয়ে উপস্থিত হন ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাও।
মানবন্ধনে উপস্থিত জনসাধারণরা জানান, ‘বানর মারার জন্য এই আন্দোলন নয়। লোকালয় থেকে তাদের সংরক্ষিত বনে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতেই আন্দোলনে নেমেছি। আমরা চাই আমাদের শিশুরা বনের প্রাণীর হাত থেকে নিরাপদে থাকুক। তারা বানরের উপদ্রব ঠেকাতে বন বিভাগ ও সংশিষ্ট প্রশাসনকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানান। অন্যতায় বানরের উপদ্রব থেকে মুক্তি পেতে কঠোর আন্দোলনেরও হুসিয়ারি দেন।
মানববন্ধনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা কামাল, ফারুক আলী, আজিজুল হক, সাইফুদ্দিন আহমদ চৌধুরী, নুরুন্নাহার পারভীন, কয়সর রশিদ চৌধুরী, মুক্তার আলী, জাবের আহমদ চৌধুরী, মহিউদ্দিন চৌধুরী, শাহিন আহমদ বক্তব্য রাখেন।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি