কেএমপি কমিশনার ও গাজীপুরের এসপিকে প্রত্যাহারের দাবী বিএনপির

প্রকাশিত: ৮:১১ অপরাহ্ণ, মে ৩, ২০১৮

প্রভাতবেলা প্রতিবেদকঃ

আসন্ন দুই সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার দলীয় প্রার্থী ও সমর্থকেরা বিএনপিকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

 

ড. মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, তফসিল ঘোষণার পর গাজীপুর ও খুলনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও গত দুইদিনে নতুন কার্যক্রম আমরা দেখতে পাচ্ছি। খুলনায় গতকাল নির্বাচনের দায়িত্বরত আমাদের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। হয়রানি করা হচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (৩ মে) বিকেলে আগারগাঁওয়ে কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বিএনপির ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠকে সিইসি ছাড়াও অন্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।

 

বৈঠকে মঈন খান ছাড়াও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলু ও যুগ্ম মহাসচিব সুপ্রিম কোর্ট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  করোনায় আক্রান্ত মির্জা আব্বাস দম্পতি

 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, খুলনায় আমাদের স্থায়ী কমিটির দু’জন সদস্য প্রচারণায় অংশ নেওয়ার জন্য গিয়েছেন। তারা যে হোটেলে অবস্থান করছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কার্যত সেই হোটলটিকে ঘিরে রেখেছে। আইন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর সকল ক্ষমতার ধারক বাহক ইসি। কিন্তু, পুলিশ যদি সেখানে সমস্যার সৃষ্টি করছে শান্তি শৃঙ্খলার অজুহাতে ভয় ভীতি দেখাচ্ছে।  নির্বাচনের প্রচারণায় বাধার দিচ্ছে।  এরকম পরিস্থিতিতে কিভাবে সুষ্ঠু সম্ভব ?

 

গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির ও গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন বলেও ড. আব্দুল মঈন খান। জানান। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে কেএমপি কমিশনার ও গাজীপুরের এসপিকে প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে দলটি।

 

নির্বাচন কমিশন আপনাদের কোনও আশ্বাস দিয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আশ্বাসের বিষয় নয়। তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব হচ্ছে এক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া। আমরা আশা করি, কমিশন সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করবে। কাজের মাধ্যমে বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ