সিলেট | |
প্রকাশিত: 5:15 PM, July 18, 2020
মুফতি খন্দকার হারুন♦ অনলাইন শপিং এর নামে নামে কুরবানী নিয়ে তামাশা চলছে! মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ‘ইবাদত’ কুরবানী বিনষ্টের আরেক যন্ত্র ‘অনলাইন শপিং’। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্টান এর পক্ষ থেকে আহ্বান করা হচ্ছে– অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কুরবানীর সুযোগ গ্রহণ করতে। বাসায়-বাসায় তারা পৌঁছে দেবে কুরবানীর অংশেপ্রাপ্ত মাংস। সুন্দর ও সুবিধাজনক এসব কথায় কতো অজ্ঞ মুসলিম তাতে নির্দ্বিধায় অংশও নিচ্ছে! কিন্তু এভাবে কি আদৌ কারো কুরবানী আদায় হবে?
তামাশার এই কুরবানীতে কে কার সাথে যুক্ত হচ্ছে? বাকি ছয়জন অংশীদারের আয়ের উৎস হালাল না হারাম? কে হালাল টাকা দিয়ে অংশ ক্রয় করলো আর কে হারাম টাকা দিয়ে অংশ ক্রয় করলো? আমরা জানি এগুলো নিশ্চিত না হয়ে যৌথ কুরবানী করলে কারো কুরবানী হবে না। ওরা কি ওসব যাচাই করবে? আর তা কি ওদের দ্বারা সম্ভব? সেই সুযোগ তাদের আছে?
সাতজন অংশীদার মিলে একটি গরু, মহিষ বা উট কুরবানী করতে হলে অবশ্যই সকল অংশীদারের টাকা হালাল উপার্জন থেকে হতে হবে। যা অনলাইনের এই ব্যবসায়ীরা অনুসন্ধান করবেন না। সম্ভবও নয়। তারা সাতজন অংশীদার যোগাড় করতে পারলেই তাদের ব্যবসা সম্পন্ন। এছাড়া সবার নিয়তও এক হতে হবে। কিন্তু কে মাংসের জন্য অংশ নিলো আর কে সত্যিকারে কুরবানীর জন্য? এটা যাচাই করার সুযোগ আছে? এখানে তো প্রত্যেকেই প্রত্যেকের অপরিচিত!
সাতজন অংশীদার পরস্পরের চিনাজানা থেকে প্রস্তুত হবেন। একের নিকট অপর সম্পর্কে জানাশোনা থাকা থাকবে। কিন্তু এখানে এটা মোটেও সম্ভব নয়। শরয়ী প্রতিটি ইবাদতকে ইবাদতের পর্যায়ে রাখতে হবে। সবখানে বাণিজ্যিক চিন্তা পরিহার করতে হবে।
আসুন, আমরা নিজে সতর্ক হই। অপরকে সতর্ক করি।
মুফতি খন্দকার হারুন, মুহাদ্দিস ও মুফতি , জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানিয়া, বিশ্বনাথ, সিলেট।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি