বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা প্রশ্ন

প্রকাশিত: 6:00 PM, October 14, 2020

বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নানা প্রশ্ন

প্রভাতবেলা প্রতিবেদক♦ এসএমপি’র কোতোয়ালী থানাধীন বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে। কোতোয়ালী থানা থেকে মাত্র ৬শ ৩০ মিটার দুরে কি প্রয়োজনে ফাঁড়ি রাখা হয়েছে তা নিয়েও নানা প্রশ্ন। নগরীর যুবক রায়হান খুনের পর এখান থেকে ফাঁড়ি প্রত্যাহারের দাবী উঠছে জোরে সোরে। যেখানে মানুষ খুন করা হয়, তার কি প্রয়োজন?

অনুসন্ধানে জানা যায়,সিলেট নগরীর ভাসমান ব্যবসার দৈনিক চাঁদা উত্তোলন করে ভাগ বাটোয়ারার মূল কেন্দ্র বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ি। আদালত পাড়া, বন্দর বাজার, লালবাজার, কালিঘাট, মহাজনপট্রি,কাস্টঘর, হকার্স মার্কেট, জিন্দাবাজার চৌহাট্রা, ষ্টেডিয়াম মার্কেট, সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ফটক, আম্বরখানা ছাড়াও ক্বীনব্রীজ, কাজির বাজার  ব্রিজ এর ফুটপাত থেকে আদায়কৃত টাকা বন্দর বাজার ফাঁড়িতে জমা হয়।
এসএমপির অন্যান্য ফাঁড়ির ইনচার্জরাও রাতে একত্রিত হয় বন্দর বাজার ফাঁড়িতে। সেখানেই চলে ভাগ বাটোয়ারা।এমন অভিযোগ এখন ওপেন সিক্রেট।

নাগরিকমনে প্রশ্ন মূলত এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা আর জনসাধারণকে নির্যাতন করার জন্যই কি পুলিশ ফাঁড়ি?

আরও পড়ুন  বদরুলকে বাঁচাতে জাফর ইকবালের তৎপরতা

সুত্রমতে, ফাঁড়ির সাথে কতিপয় রাজনৈতিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক নেতা ছাড়াও দালাল বাহিনীর সখ্যতাও রয়েছে। কাজেই সিলেট নগরীর এই ফাঁড়িটির কোনো প্রয়োজন নেই এমনটাই মনে করেন সিলেটবাসী। তাই অনতিবিলম্বে এই ফাঁড়ি বন্দরবাজার থেকে পুলিশ ফাঁড়ি প্রত্যাহার করা হোক এ দাবী বিক্ষুব্ধ জনতার।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

সর্বশেষ সংবাদ