সিলেট | |
প্রকাশিত: 1:57 PM, November 8, 2023
মোসলেহ উদ্দিনের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর থানার ডাইয়ারচর গ্রামে। তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। জালিয়াতির ঘটনায় হামিদা বাদী হয়ে মোসলেহ উদ্দিনের দ্বিতীয় পক্ষের ছেলে মঞ্জু ও ইউসুফ এবং তাদের মা আবেদা বেগমের বিরুদ্ধে ২০২০ সালে আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালতের নির্দেশে শিবচর থানা পুলিশ মামলা রুজু করে। মামলাটি তদন্ত করেন মাদারীপুর জেলা সিআইডির পরিদর্শক রথীন্দ্রনাথ তরফদার। জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার মঞ্জু ও তাঁর ভাই ইউসুফ এবং কাজি আব্দুল জব্বার শিকদারকে অভিযুক্ত করে মাদারীপুর আদালতে সম্প্রতি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন তিনি। আবেদা মারা যাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর মোসলেহ উদ্দিন মারা যান। পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পের জন্য ২০১৬ সালে তাঁর জমি অধিগ্রহণ করে সরকার। জমির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৭ কোটি টাকা। টাকার ভাগ যাতে সৎমা হামিদা দাবি করতে না পারেন, সেজন্য তাঁকে বাবার সাবেক স্ত্রী হিসেবে প্রমাণ করার পরিকল্পনা করেন মঞ্জু ও ইউসুফ। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজি আব্দুল জব্বারের মাধ্যমে মোসলেহ ও হামিদার ভুয়া তালাকনামা তৈরি করেন। এটি দেখিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওয়ারিশ সনদ বের করে তা থেকে হামিদাকে বাদ দেন। ওই কাগজপত্র দেখিয়ে মাদারীপুর এল/এ শাখা থেকে প্রায় ৭ কোটি টাকা তুলে ভাগবাটোয়ারা করে নেন মঞ্জু ও ইউসুফ।
এ বিষয়ে মাদবরের চর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মঞ্জু বলেন, আমার সৎমা ১৯৯৮ সালে তালাক হয়ে গেছেন। এটা গ্রামের সবাই জানে। জমি অধিগ্রহণের টাকার ভাগ আমার সৎবোন নিয়েছে। ষড়যন্ত্র করে আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি