কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন কুমারস্বামী

প্রকাশিত: 7:14 PM, May 23, 2018

বিশ্ব ভুবন ডেস্কঃ কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন কুমারস্বামী। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি-বিরোধী অনেক নামি দামি ব্যক্তিত্ব।
ধর্মনিরপেক্ষ জনতা দল (জেডিএস) নেতা এইচ ডি কুমারস্বামী তিথি-নক্ষত্র ও পঞ্জিকা মেনে চামুন্ডেশ্বরী মন্দিরে পুজো দিয়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। পাশাপাশি উপমুখ্যমন্ত্রী হন প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি দলিত নেতা জি পরমেশ্বর।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কর্ণাটকের রাজ্যপাল বাজুভাই বালা তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

বেঙ্গালুরুতে বিধানসভা ভবনের সামনে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউপিএ চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া।

কর্ণাটকের বিধানসভা নির্বাচনে জোর কদমে প্রচারে নেমেছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো। তারপর ফলাফলের দিন দফায় দফায় নাটক। যখন মনে করা হচ্ছে মসনদে বসবে বিজেপি ঠিক তখনই জেডিএস প্রধান দেবগৌড়ার সাথে জোট নিয়ে কথা হলে কংগ্রেস। কিন্তু তারপরেও নাটক বাকি ছিল।

আরও পড়ুন  শান্তিনিকেতনে একমঞ্চে মোদী-শেখ হাসিনা ও মমতা

এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রচুর কংগ্রেস ও জেডিএস সমর্থকেরা এসে হাজির হয়। সেই সঙ্গে মঞ্চে দেখা দিল বিজেপি বিরোধী ঐক্যও। উপস্থিত সনিয়া ও রাহুল। মঞ্চে ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়াও। আঞ্চলিক দলের জোটের বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মায়াবতী, অখিলেশ যাদব, শরদ পাওয়ার-সহ একাধিক নেতারা।

কুমারস্বামীর শপথ অনুষ্ঠান থেকে আরও একবার আঞ্চলিক রাজনৈতিক জোটগুলির পক্ষে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, আঞ্চলিক দলগুলির জোটই ভবিষ্যতের মূল নির্ণায়ক শক্তি।

বস্তুত, এদিনের অনুষ্ঠান যেন বিজেপি বিরোধী জোটেরই মঞ্চ হয়ে উঠল। কর্ণাটকের মসনদ থেকে কংগ্রেসকে হটাতে একরকম এককাট্টা ছিল বিজেপি। ইয়েদুরাপ্পাকে সরকার গঠনের জন্য ডাকও পাঠান রাজ্যপাল বাজুভাই ভালা। তবু শেষরক্ষা হয়নি। শেষ বাজি জেতে কংগ্রেস-জেডিএস জোটই। মোদীর সেনাপতিকে প্রায় হতচকিত করেই আদালতের ফরমানে সরকার গঠন করে জোট। আজ তারই শপথ পর্ব। তথ্য দ্যা হিন্দু।

কংগ্রেসের জোট প্রসঙ্গে এদিন মমতা জানান, শতাব্দীপ্রাচীন দলটি যদি চায় তবে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট করতেই পারে। জানা যাচ্ছে কর্ণাটক সরকারের ২২টি দপ্তর পাচ্ছে কংগ্রেস, ১২টি জেডিএস। জোট রাজনীতিতে যা দস্তুর। মমতার মন্তব্য, দেশের স্বার্থে এভাবেই আঞ্চলিক দলগুলিকে একজোট হতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ