জামায়াতের ডিজিটাল হরতালে জনজীবনে কোনো প্রভাব পড়েনি

প্রকাশিত: 9:47 PM, August 31, 2016

অলিউর রহমান জুয়েল : সুপ্রিম কোর্টেও চুড়ান্ত রায়। দলীয় ওয়েব সাইটে হরতাল আহবান। দেশের কয়েকটি জায়গায় ঝটিকা মিছিল। ফটোসেশন। গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ। এই চিত্রে এখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ হরতালে নিজেদেও নেই কোন পিকেটিং। নেই কোন আনুগত্য। খোদ জামায়াত নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানও থাকে খোলা।
মানবতা বিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলীর মৃত্যুদন্ড বহাল থাকায় বুধবার দিনব্যাপি হরতালের ডাক দেয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী । সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রটারি জেনারেল ড. শফিকুর রহমান তাদের সাংগঠনিক ওয়েব সাইটে এক বিবৃতিতে হরতালের ঘোষনা দেন। হরতাল থাকলেও সিলেট নগরিতে হরতালের কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায় নি। সিলেট নগরীর চিত্র ছিল স্বাভাবিক দিনের মত। আন্ত:জেলা যাতায়াত ব্যবস্তাও ছিল স্বাভাবিক । তবে দূর পাল্লার যানবাহন চলাচল ছিল একটু কম। ট্রেন চলাচল করেছে সিডিউল মত । এছাড়াও প্রতিদিনের ন্যায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম গুলো চলছিল স্বাভাবিক ভাবে। বিপনী বিতান গুলোতে ক্রেতার সমাগম কম হলেও খোলা ছিল । জামায়াতের কোনো নেতা কর্মিকেও পিকেটিং, মিছিল বা হরতাল পালনে দেখা যায় নি। সিলেট শহর ছাড়াও অন্যান্য কোনো স্থানে জামায়াতের হরতাল পালনের খবর পাওয়া যায় নি।
একাত্তরের মু্িক্তযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মীর কাশেম আলীর রিভিউ আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ।প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে পাচঁ সদস্যের আপিল বে. এ রায় দেন। এর আগে আপিলে দেওয়া মৃত্যুদন্ডের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে মীর মীর কাশেমের করা আবেদনের ওপর ২৮ আগষ্ট উভয়পক্ষের শুনানি শেষ হয়। এবং ৩০ আগষ্ট প্রধান বিচার পতির রায়ে মীর কাশেম আলীর মৃত্যুদন্ড বহাল থাকে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ