সিলেট | |
প্রকাশিত: 3:08 PM, October 7, 2023
প্রভাতবেলা ডেস্ক:
প্রকট জলাবদ্ধতায় নগরীর অনেক বাড়িঘরে ঢুকেছে বৃষ্টির পানি। বৃষ্টি থামার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও নগরীর নিম্নাঞ্চলে এখনো পানি জমে রয়েছে। নগরীর গলি সড়কগুলোতেও পানি রয়ে গেছে। অনেক ঘর থেকে এখনো নামেনি পানি।
এদিকে দুর্ভোগকবলিত নগরবাসী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত ২০ বছরে নগরীর অধিকাংশ খাল, ডোবা, জলাশয় ও পুকুর ভরাট করে আবাসন এবং সড়কপথ তৈরির কারণে গত বুধ ও বৃহস্পতিবারের ভারি বর্ষণে হাঁটু-কোমরপানিতে তলিয়ে যায় নগরী। ইতোমধ্যে কোমরপানিতে নিমজ্জিত নগরীর প্রধান সড়কে নৌকা চলাচলের ছবিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। গ্রিন সিটির মলিন বাস্তবতা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে হাজারও প্রশ্ন।
আরও অভিযোগ উঠেছে, রাজশাহী সিটি করপোরেশন নগরীতে যেসব ড্রেন নির্মাণ করেছে, সেগুলো কোনো সুষ্ঠু পরিকল্পনা ছাড়াই করা হয়েছে। ছোট ড্রেনগুলোকে বড় ড্রেনের সঙ্গে ঠিকমতো সংযুক্ত করা হয়নি। সরু ও সংকীর্ণ সড়কের কোলঘেঁষে তৈরি হয়েছে বহুতল আবাসন ভবন ও দোকানপাট। এসব ভবনের পানি ড্রেন উপচে খোলা সড়ককে ভাসিয়ে দিয়েছে।
রাসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর ইসলাম জানান, নগরীতে তাদের ছোট-বড় ২৭৭ কিলোমিটার ড্রেন রয়েছে। আরও কিছু ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান আছে। কিন্তু ড্রেনগুলোর পানি নিষ্কাশন সক্ষমতা কত তার প্রাক্কলন ছাড়াই এসব ড্রেন তৈরি করা হয়েছে। কোনো ড্রেনের পানি কোন পথে নামবে সে সবও আগে ভাবা হয়নি। এসব ড্রেন নির্মাণ ও তদারকিতে এলাকাভিত্তিতে রাসিকের কাউন্সিলররাই ছিলেন ঠিকাদারের ভূমিকায়। ফলে ভারি বর্ষণের সময় এসব ড্রেন বিশেষ কাজে আসেনি। দেড় দুই ঘণ্টার মধ্যে যেখানে পানি নেমে যাওয়ার কথা সেখানে পানি নামতে সময় লেগেছে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময়।
এদিকে বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরও রাজশাহী নগরীর নিম্নাঞ্চলের কিছু কিছু গলিপথে রয়ে গেছে পানি। নগরীর চাকপাড়া, মেহেরচন্ডি, কাদিরগঞ্জ, বিলশিমলা, ব্যাংক কলোনি, ছোট ও বড় বনগ্রাম, সিরোইল ও আসাম কলোনি, উপশহর, সপুরা, বাগানপাড়া, হাজরা পুকুর, বালিয়াপুকুর, মঠপুকুর, হড়গ্রাম নতুনপাড়া, কোর্ট কলেজপাড়া, ডিঙ্গাডোবা, দাসপুকুর প্রভৃতি এলাকার অনেক বাড়ি থেকে এখনো বর্ষার পানি বেরোতে পারেনি। ফলে দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ। মহল্লা থেকে বেরিয়ে মূল সড়কে উঠতে গিয়ে তাদের হাঁটুপানি ভাঙতে হচ্ছে।
জানা গেছে, এসব সড়কের কোনো কোনোটি মাত্র এক-দেড় বছর আগে নতুন করে তৈরি করা। এসব সড়কের একেকটি তৈরিতে ব্যয় হয়েছে কয়েকশ কোটি টাকা করে।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি