সিলেট | |
প্রকাশিত: 2:54 AM, November 2, 2026
কবীর আহমদ সোহেল ♦ মাওলানা লোকমান আহমদ কে নিয়ে কি হচ্ছে? কি ঘটছে পর্দার আড়ালে? গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কি চলছে? জামায়াত সম্পৃক্ত মহল ছাড়াও সচেতন মহলে এ প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে গত সপ্তাহ খানেক জুড়ে।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে, মাওলানা লোকমান আহমদ এর ‘রুকুনিয়াত ‘ স্থগিত রয়েছে। নভেম্বরের প্রথমার্ধের যেকোনো সময় এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হতে পারে। বিষয়টি নির্ভর করছে আঞ্চলিক পরিচালক ও কেন্দ্রীয় এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এর ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর। সুত্র বলছে, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সিলেট মহানগর আমীর ফখরুল ইসলাম দ্বারা প্রভাবিত। এই দুই নেতার আশীর্বাদ কিংবা অভিশাপের উপর মাওলানা লোকমানের রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ভর করছে। সুত্রমতে, মাওলানা লোকমানের বিষয়টি আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের কানে পর্যন্ত পৌঁছেছে। তিনিও বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু অতি উৎসাহি জামায়াত শিবির কর্মী মাওলানা লোকমান এর ‘রুকুনিয়াত’ ফিরে পেয়েছেন মর্মে প্রচার করলেও এর সত্যতা পাওয়া যায়নি।
সুত্র বলছে, সিলেট জেলা জামায়াত মাওলানা লোকমানের ‘রুকুনিয়াত’ এর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অক্টোবরেরর ১৮/১৯ তারিখ। বিষয়টি আঞ্চলিক পরিচালককে অবহিত করলে তিনি সম্মতি না দিয়ে বলেন ‘ আরো সময় যাক’।
সিলেট জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবীবুর রহমান উমরাহ পালন শেষে দেশে ফিরেছেন। চলতি সপ্তাহে মাওলানা লোকমান প্রসঙ্গের একটা ফায়সালা প্রত্যাশা করছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী।
জামায়াতের ‘ রুকুনিয়াত ‘ হচ্ছে সর্বোচ্চ সদস্য পদ। এই ‘ রুকুনিয়াত’ স্থগিত/ বাতিল/ ইস্তফা এগুলো সাংগঠনিক নৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু মাওলানা লোকমান আহমদ এর ‘ রুকুনিয়াত’ স্থগিতাদেশ নিয়ে মেইনস্ট্রিম মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যেভাবে চাউর হয়েছে নিকট অতীতে এমন ঘটনা দেখা যায়নি।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ১০ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদের জরুরী বৈঠকে মাওলানা লোকমান আহমদের ‘ রুকুনিয়াত ‘ স্থগিতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রায় একমাস পর অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসতে শুরু করে। এরপর মূলধারার গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। মাওলানা লোকমান এর ‘ রুকুনিয়াত বাতিল’ এমন সংবাদ
সর্বপ্রথম প্রকাশ করে ‘নবদিগন্ত নিউজ’- নামে একটা পোর্টাল। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যমতে, এই পোর্টালের গোপন পৃষ্ঠপোষক সিলেট মহানগর জামায়াতের এক নেতা। ‘ জিন্দাশহীদ’ খ্যাত এই নেতার পৃষ্টপোষকতায় পরিচালিত পেজ পোর্টাল ও আইডিতে মাওলানা লোকমান এর ‘ রুকুনিয়াত স্থগিত ‘ সংক্রান্ত ঘটনার সংবাদ প্রকাশিত হয় বেশী। বিষয়টি জেলা জামায়াতের এক দায়িত্বশীলকে অবহিত করা হয়। তিনি তৎক্ষনাৎ ‘ জিন্দাশহীদ’ খ্যাত ঐ নেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপরই নবদিগন্ত নিউজ পোর্টালের ‘ মাওলানা লোকমান এর রুকুনিয়াত বাতিল’ শিরোনামের খবর ও ফটোকার্ড হাওয়া হয়ে যায়।
এই সুত্র ধরে অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, দলের ভেতর মাওলানা লোকমান বিরোধী বলয়ের ইন্ধনে ‘ রুকুনিয়াত স্থগিত ‘ এর জামায়াতের গোপন সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের খবর মিডিয়ায় আসে।
জেলা ও মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ সিদ্ধান্তটির খবর জেলা ও মহানগরের সকল রুকনদের নজরে আসে ২৩ অক্টোবর। রুকন সম্মেলনে মাওলানা লোকমান এর অনুপস্থিতি ও জেলা আমীর নির্বাচনের ভোটার তালিকায় মাওলানা লোকমানের নাম না থাকায় রুকনরা অবহিত হন ঘটনাটি।
এরপর জেলা আমীর মাওলানা হাবীবুর রহমান গণমাধ্যমে বিষয়টি খোলাসা করেন। ‘ রুকুনিয়াত বাতিল নয়, মুলতবি করা হয়েছে’ বলে মাওলানা হাবীব বিষয়টি হালকা ভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন।
প্রভাতবেলা’র অব্যাহত অনুসন্ধানে জানা যায়, ১০ সেপ্টেম্বর জেলা জামায়াতের জরুরী কর্ম পরিষদের সভায় লোকমান আহমদ এর রুকুনিয়াত স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১২ সেপ্টেম্বর জেলা ও মহানগর জামায়াতের যৌথ কর্ম পরিষদের সভায় আঞ্চলিক পরিচালক এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের কে বিষয়টি অবহিত করা হয়। এডভোকেট জুবায়ের বিষয়টি এখানেই নিষ্পত্তি না করে সাংগঠনিকভাবে আমলে নেন।
প্রশ্ন দেখা দেয়, কি এমন ঘটনা ঘটলো সদ্য কুরবানির নজরানা দেয়া বলিস্ট নেতা লোকমানের উপর সাংগঠনিক খড়গ হস্ত নেমে এলো?
৭ সেপ্টেম্বর সিলেট পরিবহন মালিক সমিতি ওসমানী হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার অব্যবস্থাপনার প্রতিকারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে। এর নেতৃত্বে ছিলেন মাওলানা লোকমান। এটাই কি মাওলানা লোকমানের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ালো।
এই প্রতিবেদক বিষয়টি খোলাসা করতে জেলা ও মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ ও মজলিসে শুরা সদস্যের দায়িত্বে নিয়োজিত ৯ জনের সাথে কথা বলেছেন। সকলেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বক্তব্য দিয়েছেন। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন সামগ্রিক বিষয়টি অস্বীকার না করে বলেন, বিষয়টি একান্ত সাংগঠনিক। মিডিয়ায় প্রচারের বিষয় নয়। কিছুদিনের মধ্যেই সব সমাধান হয়ে যাবে। তার দেয়া সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, বিষয়টি অপরাপর মিডিয়ায় ও এসেছ গেছে। সুতরাং প্রভাতবেলা ও তা প্রকাশ না করার অনুরোধ বাধ্যবাধকতায় থাকছেনা।
মাওলানা লোকমান আহমদের বক্তব্য নিতে প্রভাতবেলা একাধিকবার তাঁর সরনাপন্ন হয়েছে। তিনি গণমাধ্যমে বক্তব্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে তিনি পরিবহন মালিক সমিতির মিছিলে অংশগ্রহণ নেতৃত্ব প্রদান এবং তাঁর রুকুনিয়াত স্থগিতের সত্যতা স্বীকার করেন। তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কি জানতে চাইলে মাওলানা লোকমান বলেন, ‘ আল্লাহর সাহায্য, আমি আল্লাহর সাহায্য কামনা করছি ‘।
সুত্র বলছে, ৩০ জুলাই মাওলানা লোকমান ওসমানী হাসপাতালে অনিয়ম অনাচারের বিরুদ্ধে ৭ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তা প্রচার হয়। ১ সেপ্টেম্বর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদের সভায় বিষয়টি অনির্ধারিত আলোচনায় আসে। যেহেতু পরুবহন মালিক সমিতি জামায়াত সংশ্লিষ্ট কোন সংগঠন নয়। তাই দলীয় জনশক্তির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি নিয়ে কর্ম পরিষদ কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে যেহেতু সমিতির সভাপতি জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান সেহেতু শৃংখলা নিরাপত্তার কাজে দায়িত্ব পালনে কিছু জনশক্তি অংশ নিতে পারেন মর্মে মতামত দেয়া হয়। এই পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিল সব।
গুঁড় লাগে ৫ সেপ্টেম্বর। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে সিলেট আসেন। ঐ অনুষ্ঠানে তিনি জেলা আমীর মাওলানা হাবীবুর রহমান কে পরিবহন মালিক সমিতির আহুত অনুষ্ঠান সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে তিনি জেলা আমীর কে জানিয়ে দেন, এই কর্মসূচি করা যাবেনা।
বেকায়দায় মাওলানা হাবীবুর রহমান। মাওলানা লোকমানকে ৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সুত্র বলছে, মাওলানা লোকমান কর্মসূচি পালনের পক্ষে অনড় থাকেন। ৬ তারিখ দিন রাত জেলা জামায়াতের ৩ জন দায়িত্বশীল বিষয়টি সুরাহায় নামেন। ওসমানী হাসপাতালের কর্মকর্তাদের দিয়ে একটা আশ্বাস আদায় করে কর্মসূচি স্থগিত করার উদ্যোগ নেন। রাত গভীরে তারা বিফল হন।
৭ সেপ্টেম্বর পরিবহন মালিক শ্রমিক জনতার অংশগ্রহণে মাওলানা লোকমানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়।
ততক্ষণে অশান্তির আগুন জ্বলে উঠে সিলেট জামায়াতের রন্ধনশালায়। পুরো ঘটনায় বেঁকে বসেন মহানগর আমীর ও কর্মপরিষদ সদস্য ফখরুল ইসলাম। সুত্রমতে, মূলত: তিনিই ওসমানী হাসপাতালের বিরুদ্ধে কর্মসূচির বিপক্ষে। সুত্রমতে, দুই কেন্দ্রীয় নেতার শ্যানদৃষ্টি পড়ে সিলেট জেলা জামায়াতের উপর। কুমিল্লার মত জেলা জামায়াতের ‘ ইমারত’ এ আঘাত আসার আশঙ্কায় পড়েন মাওলানা হাবীবুর রহমান। সেই আশঙ্কায় ‘ঘর’ রক্ষার লক্ষ্যে ‘ খুটি ‘ খুলে ফেলেন তিনি। ‘ বলির পাঠা ‘ হন মাওলানা লোকমান আহমদ।
এ প্রসঙ্গে জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতৃবৃন্দ পরস্পর বিরোধী কথা বলেছেন। একপক্ষের বক্তব্য যেহেতু সংগঠন নিষেধ করেছে তাহলে মাওলানা লোকমান এটা করতে গেলেন কেন? এটা আনুগত্যের খেলাফ। শৃংখলা পরিপন্থী।
অপরপক্ষের মতে, পরিবহন মালিক সমিতি কি জামায়াতের অঙ্গ সংগঠন? তাদের কর্মসূচী পালনে জামায়াতের অনুমতি নিতে হবে কেন? যেখানে
সংগঠনের কর্মনীতিতে মানবিক ও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ নেতৃত্ব প্রদানের তাগিদ রয়েছে।
মহানগর জামায়াতের এক কর্মপরিষদ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মহানগর ও জেলা জামায়াতের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব বিরাজমান। মহানগর অধিভুক্ত সিলেট -১ আাসনে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন জেলা আমীর মাওলানা হাবীবুর রহমান। তিনি সম্মানজনক ভোট পেয়েছেন। ১ লক্ষ ৩৫ হাজার। শারীরিক সক্ষম থাকলে আগামী নির্বাচনে তাঁর বিকল্প নেই। এবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মাওলানা লোকমান প্রার্থী হলে পাশ না করলে তিনিও ভালো ভোট পাবেন। হয়ে উঠবেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। দু’জনই জেলার নেতা। মহানগর নেতাদের হাতছাড়া সব। এই সংকীর্ণ মানসিকতার কবলে পড়ে মাওলানা লোকমান প্রার্থী হতে পারেননি।
ঐ নেতা আরো জানান, সিসিক মেয়র প্রার্থীতা প্যানেল ছিল ৩ জনের। মাওলানা হাবীবুর রহমান, মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ও মাওলানা লোকমান আহমদ। প্রথম দু’ জন প্রার্থী হতে অপারগতা প্রকাশ করেন। স্বাভাবিক নিয়মেই তৃতীয় জন অর্থাৎ মাওলানা লোকমান আহমদ প্রার্থী হবার কথা। এখানে চতুর্থ ব্যক্তির আবির্ভাব সংগঠনের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবেনা।
সুত্র মতে, গত জুন জুলাইয়ে ব্যাপক আলোচনা পর্যালোচনা করে সিসিক নির্বাচনের জন্য এই মেয়র প্যানেল কেন্দ্রে পাঠানো হয়। মাওলানা হাবীবুর রহমান এর নাম অনেকটা চুড়ান্ত পর্যায়ে। ঠিক এসময় মাওলানা হাবীবুর রহমান প্রার্থী হতে অপারগতা প্রকাশ করেন। অপরদিকে আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান তাঁর ভাই মহানগর জামায়াতের আমীর ফখরুল ইসলামের প্রার্থীতায় অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। এই অচলাবস্থায় মাওলানা হাবীবুর রহমান আমীরে জামায়াতের ঘনিষ্ট এক গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের শরনাপন্ন হন। মেয়র প্রার্থীতা থেকে মুক্তি পেতে ঐ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে অপারগতা জানান।
আমীরে জামায়াত এসময় বিকল্প প্রার্থীর প্রস্তাব চান ঐ সাংবাদিক নেতার কাছে।
সাংবাদিক নেতা দীর্ঘ মেয়াদি চিন্তা করে উচ্চ শিক্ষিত সাংগঠনিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সাবেক ছাত্রনেতা ড. আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু ‘ র নাম প্রস্তাব করেন। আমীরে জামায়াত প্রস্তাবটি আমলে নেন। নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম ও এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযান ফিলিপাইন সফরে যান। আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু কে ডেকে পাঠান।
গত জুলাইয়ের শেষদিকে জেলা ও মহানগর জামায়াতের শুরার সভায় আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপু’র নাম উপস্থাপন করেন আঞ্চলিক পরিচালক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। উপস্থিত শুরার সদস্যদের অধিকাংশ নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করেন এই প্রস্তাবে। সুত্র জানায়, শুরার প্রবীন এক শিক্ষক সদস্য ক্ষুব্ধ হয়ে এডভোকেট জুবায়ের কে প্রার্থী হতে আহবান করেন। ঐ শুরার সভায় একমাত্র মহানগর আমীর মুহাম্মাদ ফখরুল ইসলাম ড. নুরুল ইসলাম বাবুলের নাম প্রস্তাব করেন। শুরার কোন সদস্য এই প্রস্তাব আমলে নেয়নি সেদিন।
অথচ ৪ সেপ্টেম্বর নগরীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাশিবিরের মত একটা তারবিয়াত প্রোগ্রামে নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলামকে দিয়ে তড়িঘড়ি করে মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করানো হয়। আসলেই বুঝা দায়। খেলা যে চলছে কোন লেভেলে!!

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি