বটল মিয়ার মরদেহ আসছে আজ || শনিবার জানাযা

প্রকাশিত: 12:58 AM, October 29, 2021

বটল মিয়ার মরদেহ আসছে আজ || শনিবার জানাযা

এম.রাজু আহমদ,জুড়ী♦  বটল মিয়া। এ নামেই খ্যাত তিনি। পুরো নাম আসাদ উদ্দিন (বটল মিয়া)। তৃণমূলের রাজনীতিক। তৃণমূলের মানুষের জনপ্রতিনিধি। সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও মানবতাবাদী এই নেতার মরদেহ তাঁর জনম মাটিতে আসছে আজ শুক্রবার। আগামীকাল শনিবার মরহুমের নামাজে জানাযা ও দাফন হতে পারে।

 

আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মরদেহ দেশে পৌঁছবে বলে সুত্রে জানা গেছে। যথাসময়ে মরদেহ দেশে পৌঁছলে, শনিবার নিজ এলাকায় গোয়ালবাড়ীতে জানাজা হবার কথা রয়েছে।

 

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ধামাই গ্রামের বাসিন্দা, বড়লেখা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান  এবং পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের তিনবারের চেয়ারম্যান  আসাদ উদ্দিন বটল চলে গেছেন না ফেরার দেশে। বিশাল বিত্ত বৈভব আর যশ খ্যাতির অধিকারী এই অমায়িক ব্যক্তিত্ব পৃথিবীতে আর নেই।

 

আসাদ উদ্দিন বটল ১৯৭৩ সালে বিপুল ভোটে পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর আরো দুইবার বিনাপ্রতিদ্বন্ধীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। একই বছর বড়লেখা উপজেলার  চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন  বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

 

এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে ১৯৭৮ সালে জাগো দলে যোগ দেন। বড়লেখা   উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পরে জুড়ী উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষে বহির্বিশ্ব বিএনপি ফোরামের উপদেষ্টা ছিলেন।

 

১৯৯১ সালে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। শিক্ষানুরাগী বটল মিয়া পিতার নামানুসারে এলাকায় মনোহর আলী এম সাইফুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন ছাড়াও নয়াবাজার ষোলপনী ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির আমৃত্যু সভাপতি ছিলেন। এছাড়া জুড়ী-বড়লেখার অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা, সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। রাজনীতি ও সমাজসেবার পাশাপাশি মহালদারী ব্যবসায়ও তিনি ব্যাপক সফলতা অর্জন করেন।

 

আসাদ উদ্দিন বটল গত সোমবার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় আমেরিকার নিউইয়র্কে একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি ৮ ছেলে ও ৪ মেয়ে রেখে গেছেন।

সর্বশেষ সংবাদ