বস্তাভর্তি দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক

প্রকাশিত: ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ, মে ২৩, ২০২৪

বস্তাভর্তি দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ নেতা আটক
প্রভাতবেলা ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফলে বস্তাভর্তি দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রলীগ নেতা ও তার ছোটভাইকে আটক করা হয়েছে। এ সময় কিশোরগ্যাংয়ের আরও ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় উপজেলার কনকদিয়া বাজারের একটি বাসা থেকে ওই অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়।

 

 

বাউফল থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কাউসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

 

আটকরা হলেন— উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের একাংশের (এমপি গ্রুপ) সাধারণ সম্পাদক সিজান কাজী (২৪), তার ছোট ভাই সিয়াম কাজী (১৯)। তারা ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মিজান কাজীর ছেলে। এ ছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের ১০ সদস্যের নাম জানা যায়নি। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তাভর্তি বিপুল পরিমাণ রামদা, লোহার রড, স্টিলের পাইস ও লাঠিসোটা উদ্ধার করা হয়।

 

 

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (২১ মে) বাউফল উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর কনকদিয়া বাজারে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল মোতালেব হাওলাদারের সমর্থক ডালিমের সঙ্গে বিজয়ী প্রার্থী মোসারেফ হোসেন খানের সমর্থক সিজানের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার রাতে ডালিমসহ তিনজনকে মারধর করে সিজান ও কিশোরগ্যাংয়ের কয়েকজন সদস্য। পরে রাত ১২টার দিকে সিজানের কনকদিয়া বাজারের বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইউএনও। এ সময় দেশীয় অস্ত্রসহ তাদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন  নতুন নির্বাচন কমিশনের শপথ গ্রহণ বৃহস্পতিবার

 

 

ভুক্তভোগী ডালিম জানান, নির্বাচনের আগেরদিন (সোমবার) রাতে পরাজিত প্রার্থীর সমর্থক স্কুলশিক্ষক শহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থক ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার। এ ঘটনায় নির্বাচনের দিন (মঙ্গলবার) গ্রেফতার হন তিনি। এরপরেই ক্ষিপ্ত হয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এমপি গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতা সিজান। আমাদের অনেক সমর্থকদের মারধর করাসহ অস্ত্র দেখিয়ে ঘর-বাড়ি ছাড়ার হুমকি দিতে শুরু করেন।

 

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সিজানের বাবা মিজান কাজী বলেন, নির্বাচনে জেতার আনন্দে ওরা পিকনিক খাচ্ছিল। হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়া পুলিশ ওদের আটক করে। আমরা রাজনীতি করি, আমাদের প্রতিপক্ষ আছে, তাই নিজের আত্মরক্ষার জন্য বাসায় লাঠিসোটা রাখতেই হয়। আমি বাসায় থাকলে ধরতে পারতো না।

 

 

থানার ডিউটি অফিসার এএসআই কাউসার জানান, সিনিয়র র‍্যাংকের অফিসার ছাড়া তাদের মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার অনুমতি নেই। ওসির অনুমতি ছাড়া অস্ত্র বা আসামিদের ছবিও দেওয়া যাবে না বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন  সাবেক এমপি জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আবু সাঈদ আর নেই

 

 

পরে গণমাধ্যম কর্মীরা এ বিষয়ে তথ্যের জন্য বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোনিত কুমার গায়েনের অফিসিয়াল ও ব্যক্তিগত নম্বরে একাধিকবার কল করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ