৭২ বছর পর সিসিক’র ১০ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

প্রকাশিত: 3:38 PM, July 22, 2019

৭২ বছর পর সিসিক’র ১০ কোটি টাকার জমি উদ্ধার

১৯৪৭ সালে লিজ দেয়া প্রায় ৪০ শতক জমি ৭২ বছর পর উদ্ধার করা হয়েছে। সিলেট নগরীর শেখঘাট খুলিয়াপাড়ায় সিসিকের মালিকানাধীন এই জমির মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা।

রবিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে সিসিকের কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিপুলসংখ্যক পুলিশ নিয়ে প্রায় ৭২ বছর থেকে দখলে থাকা সিসিকের এই জমি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করে জমির চার পাশে দেয়াল ও সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

সিসিক সূত্র জানায়, নগরীর ১৩নং ওয়ার্ডের শেখঘাট খুলিয়াপাড়া মিউনিসিপালিটি মৌজার জে এল নং- ৯১ এর ৩৭৫১ ও ৩৭৫২ নং দাগে মোট ৩৯.৮৫ শতক জমির মালিক সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)।

১৯৪৭ সালে তৎকালীন মিউনিসিপালিটি কর্তৃপক্ষ ঐ এলাকার জনৈক এক ব্যক্তিকে শর্তসাপেক্ষে লিজ দেয়। এর পর থেকেই মূল্যবান এই জমি সিসিকের হাতছাড়া হয়ে যায়।

মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নগরীর শেখঘাট খুলিয়াপাড়া এলাকায় দখল হয়ে যাওয়া এই মূল্যবান জমি উদ্ধারে আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালতের রায়ের ভিত্তিতে আজ এই জমি উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন  করোনায় একদিনে ৬১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯১৪

উদ্ধার অভিযান শেষে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ‘সিসিকের মালিকানাধীন ৩৯.৮৫ শতক জমি স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীদের দখলে ছিল। জমি দখল করে তারা এখানে ঘর-বাড়ি, দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছিল। গত প্রায় এক বছর থেকে দখলে নেয়া সিসিকের জমি ছাড়তে দখলদারদের বার বার নোটিশ দিলেও তাতে কোন কাজ না হওয়ায় এ অভিযান চালানো হয়’।

তিনি জানান, নগরীর অন্যান্য এলাকায়ও সরকারি ও সিসিকের জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ জমি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সিসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, আজাদুর রহমান আজাদ, সিকন্দর আলী, রকিবুল ইসলাম ঝলক, ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, আফতাব হোসেন খান, রাশেদ আহমদ, শাহনা বেগম শানু, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হানিফুর রহমানসহ সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নগরীর চৌহাট্টা, রিকাবীবাজার এলাকায় গড়ে ওঠা অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড অপসারণ করেন।

আরও পড়ুন  এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ রোববার

এসময় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ, উপ পুলিশ কমিশনার নিকুলিন চাকমা, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান, বি আমিনসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ