সিলেট | |
প্রকাশিত: 6:44 PM, November 9, 2023
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিন আমাদের মাতৃভূমি। আমরা এখানেই জন্মগ্রহণ করেছি। আমাদের পূর্বপুরুষদের জন্মও এই মাটিতে। আমারা কেন এ ভূমি ছেড়ে যাব? নিজ ভূমিতে মরতে পারাটাও আমাদের জন্য সম্মানের।’
তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন সকালে সন্তানদের নিয়ে পাশের একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিলাম। খালি হাত-পায়ে বাসা থেকে বের হয়েছিলাম আমরা। সঙ্গে করে শুধু দুটি বোরকা আনতে পেরেছিলাম। ওই দিনই বাসা ছাড়ার ৫ মিনিট পরেই আমাদের বাড়ির ওপর বোমা ফেলা হয়।’
সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন ফাতিমা ইমান ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বাড়ির ওপর বোমা ফেলার খবর তারা পরে পেয়েছিলেন। প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি। পরে নিজ চোখে দেখেন এই ধংসযজ্ঞ।
‘আমরা দ্বিতীয় দিন অনেক আশা নিয়ে এসেছিলাম। বিশ্বাস করার চেষ্টা করছিলাম, আমাদের বাড়ি অক্ষত আছে। কিন্তু বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। এখন রাতের বেলায় আমরা স্কুলে আশ্রয় নেই। আর দিনের বেলায় ধ্বংস করে দেওয়া বাড়ির আঙিনায় ছেলেমেয়েদের নিয়ে থাকি। এখানে আমাদের বাড়িটি নেই, কিন্তু ভূমিটা তো আমাদের। এটাই এখন একমাত্র সান্ত্বনা।’
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হলেও এগিয়ে আসছে না বিশ্ব সম্প্রদায়। উপত্যকাজুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে কিছু ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। যা চাহিদার তুলনায় মহাসমুদ্রে কয়েক ফোঁটা পানি ফেলার মতোই।
‘আমরা কেমন আছি, সেটা দেখতেই পাচ্ছেন। খাওয়ার জন্য অস্থায়ী চুলায় আটার সুজি বানাচ্ছি। এ ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই। আমরা কেমন আছি, তা দেখতে কেউ আসেনি, কোনো খবরও রাখেনি। আমরা মোটামুটি একটি দুর্ভিক্ষের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’
এদিকে, বুধবার গাজায় ত্রাণবাহী ১০৬টি ট্রাক ঢুকেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। এসব ট্রাকে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী নেওয়া হলেও গাজায় জ্বালানি প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি