কুরবানির মাংস ভাগ করার নিয়ম 

প্রকাশিত: 7:05 PM, September 5, 2016

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন :—
‘অত:পর তোমরা উহা হতে আহার কর এবং দু:স্থ, অভাবগ্রস্থকে আহার করাও।’[সূরা হজ্ব-২৮]
রাসূলুল্লাহ স. কোরবানির গোশত সম্পর্কে বলেছেন :—
‘তোমরা নিজেরা খাও ও অন্যকে আহার করাও এবং সংরক্ষণ কর।’
[বোখারি-৫৫৬৯]
‘আহার করাও’ বাক্য দ্বারা অভাবগ্রস্থকে দান করা ও ধনীদের উপহার হিসেবে দেয়াকে বুঝায়।

অর্থাৎ কোরআনের আয়াত ও হাদিসে ৩টি ভাগের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে,পরিমান নির্দ্বিষ্ট করা হয়নি।

রাসুলুল্লাহ (সা) হতে ১/৩ পরিমান নিরদিস্ট করার কোন স্পস্ট আমল পাওয়া যায় না ।রাসুলুল্লাহ্ র আমল ছিল তিনি প্রত্যেক ক্কোরবানির পশু হতে কিছু কিছু করে নিয়ে রান্না করতেন,বাকীটা পুরোটাই দান ও বিতরন করে দিতেন।

তবে আব্দুল্লাহ বিন অমর( রাঃ)হতে একটি আছার (বক্তব্য)পাওয়া যায়-
কোরবানির পশু বা হাদি হতে ১/৩ তোমার পরিবারের জন্য, ১/৩ তোমার আত্নীয়-প্রতিবেশীর জন্য, ১/৩ গরিব মিস্কিনের জন্য।তাহলে সাহাবাদের আমল থেকে পরিমান নিরদিস্ট করার প্রমান পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন  শহীদ ডা. শামসুদ্দিন: শীরু’র স্মরণ এবং আজকের করোনা পরিস্থিতি

-যদি প্রয়োজন হয় ,গরিব- কোরবানি করেছে,পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি বা তার চেয়ে অভাবি আশে পাশে আর কেঊ নেই তাহলে যদি পুরোটাই নিজেরা খায়,সেটাও জায়েজ।তার চেয়ে সচ্ছলদেরকে বিত্ রন করতে হবে,এটা জরুরি নয়।তবে এখলাস থাকতে হবে,নিয়ত শুদ্ধ হতে হবে-এই কোরবানি আল্লাহ র সন্তুস্টির উদ্দেশে হতে হবে।

-অথবা কোন অংশই খেল না পুরোটাই দান করে দিল-এটাও জায়েজ।

-তাই উলামায়ে কেরাম বলেছেন :এটা আল্লাহ পাক হতে অনুগ্রহ – কোরবানির মাংশ পূরটা নিজেরা খাওয়া যাবে, দরিদ্রদের দান করা যাবে বা পূরোটা উপহার হিসেবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের বিতরন করা যাবে। আয়েশা আক্তার

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ