সিলেট | |
প্রকাশিত: 1:41 PM, July 21, 2020
প্রভাতবেলা প্রতিবেদক:
প্রতারণার শিকার ছাতকের মণ্ডলিভোগের বালু-পাথর ব্যবসায়ী এখলাছ খান জানান, সাহেদ করিম এ বছরের ২৪ জানুয়ারি থেকে সাত ফেব্রুয়ারির মধ্যে তার কাছ থেকে এক কোটি ৪৯ লাখ ২৫ হাজার ৪২ টাকার বালু-পাথর নেন। এরপর তাকে সাহেদ ৩০ লাখ টাকার চেক দেন। পাশাপাশি বিদেশ থেকে এক্সক্যাভেটর মেশিন এনে দেওয়ার জন্য সাহেদ এক লাখ ১০ হাজার ডলারের (প্রায় ৯৪ লাখ টাকার) এলসি সংশ্নিষ্ট কোম্পানিতে জমা দিয়ে এখলাস খানকে আনুষঙ্গিক কাগজপত্র দেন। কিন্তু তিনি ছাতকে এসে চেক জমা দিয়ে জানতে পারেন, সাহেদ করিমের হিসাবে কোনো টাকা নেই। কয়েকবার ব্যাংকে যোগাযোগ করেও হিসাবে কোনো টাকা পাননি তিনি। এক্সেক্যাভেটর মেশিন কেনার জন্য যে কোম্পানিকে সাহেদ করিম এলসি দিয়েছিলেন, ওই কোম্পানির সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করে জানতে পারেন, এলসি ফেরত নিয়ে ক্যাশ করে ফেলেছেন সাহেদ। এরপর অনেকবার ফোনে চেষ্টা করেও সাহেদ করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি।
এখলাছ খান জানান, অনেক চেষ্টা করে তিনি জানতে পারেন, সাহেদ ৩০ জুন উত্তরার অফিসে আসবেন। তাই ২৯ জুন ঢাকায় এসে ৩০ জুন সকালে সাহেদের অফিসের সামনে গিয়ে বসে থাকেন। সকাল ১০টায় সাহেদ অফিসের সামনে এসে নামেন। তখন তিনি তার সামনে গিয়ে বলেন, ‘আপনি কি ঠিক করলেন ভাই? চেক দিলেন, কিন্তু অ্যাকাউন্টে টাকা নাই। বলেছিলেন বিদেশ থেকে এক্সক্যাভেটর আনিয়ে দেবেন, কিন্তু কোম্পানিকে এলসি দিয়ে আবার ফেরত এনে ক্যাশ করে নিয়েছেন। এটা কী করলেন?’ কিন্তু এখলাছ খানের কথা শেষ হওয়ার আগেই সাহেদ তার কপালে পিস্তল তাক করে বলেন, ‘গুলি করে তোর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেব। আর যদি ঢাকায় আসিস তোর শরীরে গুলি করার জায়গাও থাকবে না।’ এখলাস জানান, এ সময় সাহেদের সঙ্গে ৪-৫ জন ছিল, সবার কাছেই অস্ত্র ছিল। একইভাবে মাসুদ পারভেজ বালু-পাথর নিয়ে একবার ১৮ লাখ টাকা দেয়। কিন্তু তার কাছে এখনও ৪০ লাখ ৫২ হাজার ২৩৫ টাকা পাওনা আছে।

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি