নোমান মাহমুদ, জোহান্সবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা♦ রাত পোহালেই সিলেট ৩ আসনের উপনির্বাচন । প্রার্থী ৪ জন হলেও শক্তিশালী ৩ প্রার্থীর মধ্যে জমজমাট লড়াই হবে। কিন্তু নানা কারণে হিসাব-নিকাশ পাল্টে যেতে পারে।
প্রথমত দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের কোনো আস্থা নেই আর এ কারণেই হার-জিতের তীরটা কোনদিকে মোড় নেয় তা দেখার বিষয়।
যদি প্রচলিত ধারায় ভোট হয় তবে তরুণ প্রার্থী হাবিবুর রহমানের জয় পুরোই নিশ্চিত। কারণ নেতাকর্মী কিংবা প্রশাসন চাইবে না শেখ হাসিনার নৌকা হারুক।
আর নির্বাচন সুষ্ঠু হয়ে জিতলেও বুঝতে হবে তার দলের একদল নিবেদিত কর্মীরা ভোটারদের কেন্দ্রে টানতে পেরেছে আর শক্তিশালী বিরোধীদল না থাকায় সেই সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন।
আর যদি ২০২৩ সালের নির্বাচনের জন্য সিটি করপোরেশনের মতো টোপ দেয়ার চিন্তা থাকে সরকারের, তাহলে প্রবীন দুই প্রার্থীর একজনের কপাল খুলবে।

নোমান মাহমুদ, জোহান্সবার্গ, সাউথ আফ্রিকা
এক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান আতিক নাকি এগিয়ে? তিনি ১৯৯১ সাল থেকে নির্বাচন করছেন, একটি বার তার প্রতি সবাইকে দয়া করার অনুরোধ জানাচ্ছেন; তার এই কান্নাকাটিতে সাধারণ জনগনের মন গলছে, উপরন্তু আ’লীগের আভ্যন্তরীণ দ্বন্দে অনেক নিরব আ’লীগার আতিক সাহেবের পক্ষে। আবার উনার দলের নেতাকর্মীরা জয়ের ব্যাপারে একাট্টা।
সিলেট-৩ বিশেষকরে দক্ষিণ সুরমার উন্নয়নের রুপকার, একজন আপাদমস্তক উন্নয়নের স্বপ্নদ্রষ্টা শফি চৌধুরী নির্বাচনে নেমে অনেকটা বেকায়দায়। বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় এবং তাকে বহিষ্কার করায় বিএনপি’র ঘাটি, তার অতীত উন্নয়নের রেকর্ড থাকার পরেও তিনি সুবিধা করতে পারছেন না।
তাছাড়া খুব অল্প নেতাকর্মী তার সাথে। এরপরও সাধারণ জনগনের নিরব ভোট বিপ্লব হলে শফি চৌধুরীকে আটকানো দায় হবে।
ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটের উপর নির্ভর করবে এই তিনজনের জয়। সর্বোপরি ভোট সুষ্ঠু নিরপেক্ষ কিংবা জোরপূর্বক জয়ের উপর নির্ভর করবে আগামীকালের ফলাফল।
নোমান মাহমুদ♦( জোহান্সবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা) প্রবাসী সাংবাদিক♦ দক্ষিণ সুরমার কৃতি সন্তান।
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...