পর্যটনের অপার সম্ভাবনা জুড়ী’র সীতাকুন্ড ঝরনা

প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১

পর্যটনের অপার সম্ভাবনা জুড়ী’র সীতাকুন্ড ঝরনা

পর্যটনের অপার সম্ভাবনা জুড়ীর সীতাকুন্ড ঝরনা।

এম রাজু আহমেদ, জুড়ী♦ প্রাকৃতিক অনিন্দ্য সুন্দরে বেষ্টিত মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা জামকান্দি এলাকায় অবস্থিত সীতাকুণ্ড ঝরনা। চারিদিকে ঘেরা পাহাড় আর গাছগাছালির ভাঁজে মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য বিলাচ্ছে ঝরনাটি। বহমান ঝরনার ঝল-মল মৃদু স্রোতের ভঙ্গিমার সাথে নানা রঙের পাথর মিশ্রিত হয়ে, সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাচ্ছে আরও।

 

 

বর্ষা মৌসুম বা বৃষ্টির সময়ে পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝরনার পানি, প্রকৃতি প্রেমিদের অনায়াসে আনন্দ দিতে সহায়তা প্রদান করার যথেষ্ট ক্ষমতা রাখে। গ্রামের মূল রাস্তা হতে পাহাড়ী আকাঁবাঁকা প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেঁটে ঝরনায় গেলেও আত্মতৃপ্তির কমতি থাকার কথা নয়। চারদিকে উদার উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত ঝরনাটির সন্ধান পাওয়া গেছে।

 

 

 

স্থানীয়রা ঝরনাটিকে সীতাকুণ্ড ঝরনা নামে অভিহিত করেছেন। ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য নতুন দিগন্ত সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এতে। জলপ্রপাতটির বিমুগ্ধ করা সৌন্দর্যে রয়েছে পরিতৃপ্তির সুযোগ।

 

 

 

সরেজমিনে জানা যায়, জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের জামকান্দি গ্রামের শেষ প্রান্ত বড়লেখা উপজেলা সমনভাগ বন বিটের অন্তগর্ত এ ঝরনাটি অবস্থিত। ঝরনাটি লোকমুখে সীতাকুণ্ড ঝরনা নামে পরিচিত। ঝরনাটি খুব পরিচিতি না পেলেও মাঝে-মধ্যে স্থানীয়রা গোসল করে আনন্দ উপভোগ করেন। পাশা-পাশি কিছুদিন যাবৎ আশ-পাশ উপজেলার পর্যটকরাও আসতে শুরু করেছেন।

 

 

 

 

বন বিভাগের সংরক্ষিত উঁচু পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির স্রোত বয়ে চলছে নিচের দিকে। জলপ্রপাতের আশ-পাশে মনোমুগ্ধকর দৃশ্যে সেগুনসহ রয়েছে বিভিন্ন গাছগাছালি। বহু ধরনের পাখিদের সুমধুর গুঞ্জন আর পাহাড়ী বিভিন্ন জাতের পোকার ধ্বনিতে পরিবেশকে করেছে আরও সুন্দর।

 

 

 

 

স্থানীয়দের ধারনা মতে, এ ঝরনার উৎপত্তি ভারত থেকে। কারণ বড় এই পাহাড়ের অপারের অংশ ভারত। এর উৎপত্তিস্থল সঠিকভাবে বের করতে হলে ঝরনা ধরে যেতে হবে সীমান্তের ওপার ভারতে। উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সালেহ উদ্দিন আহমদ জানান, এই ঝরনাসহ আরেকটি ঝরনা রয়েছে আমাদের পূর্বজুড়ী ইউনিয়নে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে পর্যটকরা আসেন । রাস্তাঘাটের সমস্যা হওয়ায় যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটছে যারজন্যে জানাজানি হলেও পর্যটকরা আসতে পারছে না। পর্যটন স্থান হিসেবে এগুলো স্বীকৃতি পেলে পর্যটকদের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 49
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    49
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ