সুত্র মতে,রিয়াদ সিলেটের জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ এর কর্মচারী। তিনি পরিবার নিয়ে সিলেটে থাকতেন। রোববার স্ত্রী-সন্তানসহ সিলেট থেকে বেড়াতে নবীনগর উপজেলার মামা শ্বশুরের বাড়িতে যান। সোমবার সকালে রিয়াদ তাঁর পরিবারের লোকজনসহ একটি নৌকায় ১০-১২ জনকে নিয়ে উপজেলার পূর্ব ইউনিয়নের মোহল্লা গ্রাম থেকে পাশের ভৈরব নগরের উদ্দেশে তিতাস নদীতে ভ্রমণে বের হন।
ভৈরবনগরে যাওয়ার পথে তিতাস নদীর সোনাপাড়া নামক স্থানে স্পিডবোটের ঢেউয়ে নৌকাটি উল্টে যায়। এতে নৌকায় থাকা রিয়াদ ও তাঁর স্ত্রী লিজ পানিতে ডুবে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় বাকিরা তীরে পৌঁছাতে সক্ষম হলেও রিয়াদ ও লিজার আট বছরের শিশুমেয়ে মারিয়া নিখোঁজ হয়।
নৌকায় থাকা মো. শামছুল জানান, প্রতিবছরই তাঁরা নৌকায় ভ্রমণের উদ্দেশ্যে নবীনগরে যান। কিন্তু এবার স্পিডবোটের ঢেউয়ে নৌকাটি উল্টে গেল।
নবীনগর থানার ওসি আমিনুর রশিদ প্রভাতবেলাকে বলেন, নৌকাডুবির পর থেকে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান। সোমবার রাত পর্যন্ত তাঁরা উদ্ধার অভিযান চালান। মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে ছয় সদস্যের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শিশুটির লাশ ভেসে ওঠে।
নবীনগরের ইউএনও একরামুল ছিদ্দিক প্রভাতবেলাকে বলেন, নিহত রিয়াদ ও তাঁর স্ত্রী লিজার লাশ দাফনের জন্য জেলা প্রশাসকের পক্ষে ২০ হাজার করে মোট ৪০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে দুই পরিবারের সদস্যদের হাতে সহায়তার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে।
