ঝাড়ফুকের কবিরাজও রোগী দেখবেন

প্রকাশিত: 12:53 PM, July 18, 2017

প্রভাতবেলা ডেস্ক: ভারতের মধ্যপ্রদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ওষুধপত্র দিয়েও যেন কাজ চলছে না। হাসপাতাল মানেই ওষুধপত্র, ইনজেকশন, অপারেশন, সার্জারি। দেশ-বিদেশ থেকে পাস করে আসা বড় বড় ডাক্তার, নার্স, আরও কত কী! কিন্তু এসবে একন আর হচ্ছে না।  হাসপাতালগুলোতে এখন থেকে নিয়মিত রোগী দেখতে বসবেন জ্যোতিষীরাও। জ্যোতিষীদের পাশাপাশি বাস্তুবিশেষজ্ঞদেরও পাওয়া যাবে হাসপাতালে। মাত্র ৫ টাকার রেজিস্ট্রেশন ফির বিনিময়ে নানা সমস্যার প্রতিকারের উপায় বলে দেবেন তারা। এর জন্য মধ্যপ্রদেশ সরকারের সংস্থা মহর্ষি পতঞ্জলি সংস্কৃত সংস্থানের সদস্য হতে হবে ওই জ্যোতিষীদের। জানা গেছে, প্রতি সপ্তাহের দুই দিন তারা হাসপাতালের ওপিডিতে বসবেন। সেপ্টেম্বর থেকে এ ব্যবস্থা চালু হবে।

আপাতত সপ্তাহে দুই দিন পাওয়া যাবে এই জ্যোতিষী ও বাস্তুবিদদের। হাসপাতালের ওপিডিতে যেমন নবীন চিকিৎসকরা অভিজ্ঞদের অধীনে থেকে কাজ করেন, তেমনি শিক্ষানবিশ জ্যোতিষীরা অভিজ্ঞদের সঙ্গে থেকে শিখতে পারবেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের হাতে ডিপ্লোমা সার্টিফিকেটও তুলে দেওয়া হবে। ভারতের হিন্দু সমাজে গ্রহ, নক্ষত্র বিচার করে মানুষের রোগ-শোক ও নানা দুর্দৈব প্রতিকারে সমাজে জ্যোতিষীদের প্রভাব রয়েছে। তারা নানা ধরনের ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবচ ও পাথরের সাহায্যে রোগীদের চিকিৎসা করে থাকেন। ওষুধপত্র ও ডাক্তার-কবিরাজের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস তাদের ওপর রয়েছে কম-বেশি। বিশেষ করে অশিক্ষিত, সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া সমাজে তাদের দারুণ খাতির। এখন সরকারি হাসপাতালগুলোতে এসব জ্যোতিষীকে জনসাধারণের চিকিৎসা কাজ চালানোর অনুমোদন দেওয়া হলে তাদের কদর আরও বেড়ে যাবে।

আরও পড়ুন  ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয় শীর্ষক সেমিনার
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

সর্বশেষ সংবাদ