সিলেট | |
প্রকাশিত: 2:19 PM, August 28, 2016
দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্মতি নিয়েই এমন প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কিন্তু সরকার মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দুটি শর্ত সাফ জানিয়ে দিয়েছে।
এক. দল থেকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অব্যাহতি দিতে হবে এবং দুই. একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল জামায়াতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনৈতিক ঐক্য ছিন্ন করতে হবে। তাও নির্বাচন হবে ২০১৯ সালে; তার আগে নয়।
অন্যদিকে, বিএনপি চায় এ বছরের শেষ দিকে নির্বাচন। তাদের বক্তব্য, তারেক রহমান এই মুহূর্তে আসবেন না। তবে তাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত করে নির্বাচনের অযোগ্য করা যাবে না।
কিন্তু মধ্যস্থতাকারীরা বলেছেন, তারেক রহমানকে দল থেকে ও জামায়াতকে জোট থেকে বের করে দিতেই হবে। নইলে এই প্রস্তাবে কোনো ফলাফল বয়ে আনবে না।
তাদের (মধ্যস্থতাকারী) বক্তব্য, তারেক রহমান বিএনপির শাসনামলে হাওয়া ভবনকে ঘিরে প্যারালাল সরকার তৈরি করেছিলেন এবং একুশের গ্রেনেড হামলা, দশ ট্রাক অস্ত্র, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ বিস্তারে ভূমিকা রেখেছেন। জামায়াত একাত্তরেই নিন্দিত ভূমিকা রাখেনি, গণহত্যায় সহযোগিতাই করেনি, বর্তমান জঙ্গিবাদি তৎপরতার সঙ্গেও তাদের নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে এমন বক্তব্য সরকার ও মধ্যস্থতাকারীদের।
ওই সূত্র আরও জানায়, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বা যোগাযোগ রক্ষাকারী নেতা এখনও জামায়াতকে ছাড়তে পারেনি। তারেককে বাদ দেওয়া ও জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়া- দুটোই বিএনপির জন্য এতো কঠিন শর্ত যে এখনও কোনো দফারফায় যেতে পারছে না দলটি।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বর্জন ও প্রতিরোধের ডাক দিয়েছিল বিএনপি জোট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই ভোট বর্জন করলেও প্রতিরোধ করা যায়নি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে বিএনপি থেকে ১০ জনকে মন্ত্রী হবার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তাতেও সাড়া না দিয়ে আন্দোলনের পথ বেছে নেয় বিএনপি।
নির্বাচনের পর বিএনপি আশা করেছিল শিগগিরই আরেকটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও সরকার তা হজম করে নেয়। বলে দেয়, ২০১৯ সালের আগে অর্থাৎ ৫ বছর আগে কোনো নির্বাচন নয়। পরবর্তীকালে একটি নির্বাচনের জন্য বিএনপি আন্তর্জাতিক লবি শুরু করলেও সোনার হরিণের মতোই সেই নির্বাচন অধরা থেকে যায়।
অন্যদিকে হঠকারী আন্দোলনের পথ ঘিরে বিএনপির ওপর নেমে আসে দমন পীড়ন। মামলার জালে আটকা পড়া নেতাকর্মীদের ঠিকানা হয় কারাগার। অনেককে হতে হয় ঘরছাড়া। কঠিন বিপর্যয়ে পতিত বিএনপি এ অবস্থা থেকে বের হতে বিরোধী দলের আসনে বসার শর্তে নির্বাচন চাইছে। বিএনপির মূল্যায়ন হচ্ছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে না যাওয়া ছিল ভুল। পূর্ব পশ্চিম এর সৌজন্যে

সম্পাদক : কবীর আহমদ সোহেল
নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আব্দুল হক
ঢাকা অফিস : ২৩৪/৪ উত্তর গোড়ান, খিলগাঁও, ঢাকা ।
সম্পাদক কর্তৃক প্রগতি প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং লিঃ, ১৪৯ আরামবাগ, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
সিলেট অফিস: ২৩০ সুরমা টাওয়ার (৩য় তলা)
ভিআইপি রোড, তালতলা, সিলেট।
মোবাইল-০১৭১২-৫৯৩৬৫৩, ০১৭১২-০৩৩৭১৫
E-mail: provatbela@gmail.com,
কপিরাইট : দৈনিক প্রভাতবেলা.কম
আমাদের সর্ম্পকে গোপনীয়তা যোগাযোগ
Design and developed by ওয়েব হোম বিডি