হোটেল শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদানের দাবি

প্রকাশিত: ৫:০২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৮, ২০২১

হোটেল শ্রমিকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদানের দাবি

করোনায় বিপর্যস্ত হোটেল  শ্রমিকদের  অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন,মৌলভীবাবাজার জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা  ও সদর উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ ।

জেলা  ও সদর উপজেলা কমিটির যৌথ সভা থেকে বক্তারা বলেন করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে দেশের সবচেয়ে বিপর্যস্থ হয়ে দুঃসহ সময় পার করছেন হোটেল-খাতের শ্রমিকরা। অথচ শ্রমিকদের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে নেই কোন কার্যকর পদক্ষেপ।

 

২৭ আগষ্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের কোর্টরোড(মনু সেতু সংলগ্ন) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা হোটেল শ্রমিক ইউয়িনের সহ-সভাপতি মোঃ শাহিন। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ মৌলভীবাজার  জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রজত বিশ্বাস। জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহিন মিয়ার পরিচালনায়  সভায় বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ জামাল মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ সোহেল আহমেদ সুবেল, প্রচার সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ,  ইউনিয়নের সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ আজিম মিয়া, সহ-সভাপতি আহাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক অজিত দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রচার সম্পাদক আব্দুল কাদির, আফজাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম রাজিব।

 

 

সভায় বক্তারা আরও বলেন হোটেল শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ খাতে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক শ্রমিক কর্মরত এবং তাদের উপর নির্ভরশীল রয়েছে তাদের পরিবারসমূহ। ফলে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে এ খাতের উপর নির্ভরশীল হয়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছে দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বৃহৎ অংশ। অথচ প্রায় দেড় বছর ধরে চলমান করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে হোটেল সেক্টরের শ্রমিকরা এক দুর্বিসহ অবস্থায় পড়লেও শ্রমিকদের দায়িত্ব কেউ গ্রহণ করছে না।  ফলে এ সেক্টরে কর্মরত শ্রমিকদের জীবন-যাপন আজ অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে।

 

বিগত লকডাউনের কারণে হোটেল রেস্টুরেন্ট  সমূহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়ে এ খাতের কর্মরত শ্রমিকরা। প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে হোটেল মালিকরা শ্রমিকদের মজুরিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান না করে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়। এমনকি মালিকরা বিগত ঈদুল আজহার উৎসব ভাতাও প্রদান করেনি।

 

বর্তমানে হোটেল প্রতিষ্ঠান চালু হলেও অনেক শ্রমিককে কাজে নেওয়া হয়নি, আর যাদের কাজে নেওয়া হয়েছে তাদের অনেকের মজুরি কমিয়ে দিয়ে কর্মঘন্টা বৃদ্ধি করে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। সভা থেকে হোটেল  শ্রমিকদের জন্য নূন্যতম মূল মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণা, নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান, ৮ ঘন্টা কর্মদিবসসহ শ্রমআইনের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং শ্রমআইন ও শ্রমবিধিমালার শ্রমিকস্বার্থ বিরোধী ধারা ও বিধি বাতিল করে গণতান্ত্রিক শ্রম আইন ও শ্রমবিধি প্রণয়নের দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

সর্বশেষ সংবাদ