খালেদার মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট

প্রকাশিত: 4:21 PM, February 4, 2020

খালেদার মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট

 

প্রভাতবেলা ডেস্ক:

 

খালেদা জিয়ার দুই বছর কারাবাসের প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশ করবে ঐক্যফ্রন্ট। ওইদিন বেলা ১১টা থেকে এ সমাবেশ শুরু হবে। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন।

 

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে এসব জানানো হয়।

 

ড. কামাল হোসেনের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসীন রশীদ বলেন, ভোটারদের ভয় পায় সরকার। তাই নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। জনগণ ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার অর্থ তারা মনে করে তাদের ভোটে এই সরকারের পরিবর্তন হবে না।

 

তিনি বলেন, সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর যুব সমাজ ও জনগণ অনাস্থা প্রকাশ করেছে। নির্বাচিত মেয়ররা মাত্র ৫-৭ শতাংশ মানুষের রায় পেয়েছে। বাকি ফলাফল ইভিএমের জাল ভোট। বর্তমান সরকারের আমলে গণতন্ত্র আইনের শাসন ও নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকার চায় ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে না যাক। সরকার ভোটারদের ভয় পায়। তাই সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে।

আরও পড়ুন  এমসি কলেজে শিক্ষার্থীদের অনাকাঙ্খিত ঘটনার আপোষ নিষ্পত্তি

 

ড. কামাল হোসেন বলেন, যে নির্বাচন হয়েছে তাকে মোটেই ভালো বলা যাবে না। সরকার দায়িত্বহীনভাবে সংবিধানের পরিপন্থী কাজ করছে। নির্বাচনের প্রক্রিয়া পদ্ধতিতে ধ্বংস করেছে। যার ফলে আজকে দেশের ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমরা এ কথাগুলো জনগণকে বলতে থাকবো, বলার দিক থেকে আমাদের কোনো ধরনের কমতি নেই।

 

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, তিন সপ্তাহ পর্যন্ত আমাদের যে ভোটের মাঠে ক্যাম্পেইন ছিল সাংবাদিকরা আমাদের সহযোগিতা করেছেন। জনগণ আমাদের সঙ্গে ছিল না এ ধরনের বক্তব্য সঠিক নয়। আপনাদের ক্যামেরা প্রকাশ করেছে, প্রমাণ হয়েছে জনগণ আমাদের সঙ্গে কিভাবে মাঠে ছিল।

 

আ স ম রব বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে ধৈর্য সহকারে রাজনৈতিক দলকে দৃঢ়তার সঙ্গে আন্দোলনে নামবে, অস্থির হলে চলবে না। সময় বলে দেবে কখন কি করতে হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাই করবে।

আরও পড়ুন  রাজনীতিতে প্রতিশোধের কোনো জায়গা নেই : ডা. শফিকুর রহমান

 

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিচ্ছি। জনগণের অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য এখন থেকে আমরা রাস্তায় পথে ঘাটে মিটিং-মিছিল সব ধরনের সভা কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মানুষ আন্দোলন নিয়ে যে আসার কথা বলছে সেটার প্রতিফলন ঘটবে।

 

ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ঐক্যফ্রন্টের স্ট্রিয়ারিং কমিটির বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিকল্প ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তাক আহমদ, নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়কারী শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্প ধারা বাংলাদেশে মহাসচিব অ্যাড. শাহ আহমেদ বাদল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

প্রভাতবেলা/এমএ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

সর্বশেষ সংবাদ