বর্ণচোররাও মিথ্যাবাদী

প্রকাশিত: 2:22 PM, May 24, 2016

মিথ্যা তো মিথ্যাই। কোন যুক্তি বা কৌশল দিয়ে মিথ্যাকে জায়েজ বা সত্য বানানো যায়না। এটাই চরম বাস্তবতা। প্রতারণা মিথ্যাচারেরই একটি অংশ। আর আত্মপরিচয় গোপন রাখা একটি জঘন্য প্রতারণা বটে।
সাম্প্রতিককালে একটি বিষয় লক্ষ্য করা গেছে, “ইসলামী আদর্শের” দাবীদার অনেকেই মিথ্যাচারকে প্রতারণাকে তাদের ভাষায় ‘কৌশল’ বলে চালিয়ে দিতে চান।
বিশেষ করে একশ্রেণী কর্মজীবি ‘কৌশলের’ নামে তাদের চরিত্র গোপন রাখবার চেষ্টা করে। যখন যেখানে যে রকম পরিচয় উপস্থাপন করলে সুবিধা নেয়া যায় তারা সেরকম রুপ ধারন করে। সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে এমন বর্ণচোরদের উপস্থিতি এখন ব্যাপক।বিশেষ করে জামায়াতের রাজনীতি বেকায়দার মুখে পড়ার সাথে সাথে এই শ্রেণী নিজেদেও খোলসে আচ্ছাদিত করতে তৎপর হয়ে উঠে। তারা কর্মরত প্রতিষ্টানে নিজেদেরকে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী’ আর জামায়াতিদেও কাছে ‘কৌশলী’ পরিচয় দিয়ে স্বার্থ হাসিল করে চলেছে।
এর উল্লেখযোগ্য শ্রেণী রয়েছে গণমাধ্যমে। যারা ছাত্রজীবনে ‘ইসলাম কায়েমের’ শ্লোগানে ক্যাম্পাস মুখর করে তুলেছিল। তারাই স্যাটেলাইট মিডিয়ায় নিজেদের ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাপন্থী’ জাহির করতে থু থু দিয়ে মাইক্রোফন ভরিয়ে দেয়। এরাই আবার রাতের বেলা জামায়াত নেতাদের কাছে ধর্ণা দেয় কাচা সুবিধা নিতে।
বিবেকের কাছে প্রশ্ন হলো লোকচক্ষুকে আড়াল করা যায় নানান অপকৌশলে। কিন্তু আপনি মিথ্যা পরিচয়ে চাকরী নিলেন, উপার্জন করলেন, সেই উপার্জনে মায়ের চিকিৎসা করালেন, এমনকি হজ্জ ও পালন করালেন , স্ত্রী সন্তানদেও লালন পালন করলেন। জগতের মানুষ কিছুই বুঝলনা। তাই বলে কি মহান রাব্বুল আলামীন ও কিছুই জানেন না?
তিনি সবকিছু জানেন ও বুঝেন। তা প্রকাশ্যে হোক আর গোপনে। তারপর কি হয় আপনার চারপাশে লক্ষ্য করুন।
মহান মা’বুদ সত্য ও বাস্তবতা উপলব্ধির তৌফিক আমাদের সবাইকে দিন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

সর্বশেষ সংবাদ