চাকরীর বয়স ৩৫ করার দাবি: সরকারকে ২৮ দিনের আল্টিমেটাম

প্রকাশিত: 2:48 PM, July 19, 2020

চাকরীর বয়স ৩৫ করার দাবি: সরকারকে ২৮ দিনের আল্টিমেটাম

প্রভাতবেলা ডেস্ক:

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি জানেয়ে আবারো আন্দোলনে নামছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ। সরকারকে নতুনভাবে ২৮ দিনের আল্টিমেটামও দিয়েছে।

সংগঠনটির মুখপাত্র ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, সোমবার (২০ জুলাই) ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েসন (ক্রাব) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ (কেন্দ্রীয় কমিটি)। দাবি না মানলে ঈদুল আজহার পর শাহবাগে অবস্থান করে কর্মসূচি পালন করা হবে।

 

তিনি বলেন, সেশনজট, রাজনৈতিক অস্থিরতা, নিয়োগের ক্ষেত্রে কালক্ষেপণ ও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অনেকের চাকরিতে আবেদনের বয়স শেষ হয়ে গেছে। সবকিছু বিবেচনা করে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করা সরকারের উচিত। বর্তমানে বেসরকারি চাকরিতেও ৩০ বছরের পর প্রবেশ করা যাচ্ছে না। আমাদের দাবি সেখানেও যেন বয়সসীমা উঠিয়ে দেয়া হয়। ৩০ এর বাধ্যবাধকতা থাকায় আমরা অনেক মেধাবীদের হারাচ্ছি। তারা বিদেশে চলে যাচ্ছে। ফলে মেধার পাচার হচ্ছে। সরকারের অবশ্যই এদিকে নজর দিতে হবে।

আরও পড়ুন  সাবেক তারকা ফুটবলার বাদল রায় আর নেই

 

টানা কয়েক বছর ধরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে আন্দোলন করছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ। তবে জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে নাকচ হয়েছে ৩৫-এর সব চাওয়া-পাওয়া। তারপরও আন্দোলন থেকে সরে আসেননি আন্দোলনকারীরা। সাংগঠনিকভাবে কিছুটা গুছিয়ে উঠে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা। এ প্রক্রিয়ায় রয়েছেন আন্দোলনকারীদের সংগঠক এম এ আলী, ফেরদৌস জিন্নাহ লেলিন, সঞ্জয় দাসসহ আরও অনেকে।

 

সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলন সফলতার মুখ দেখলেও এখনো চলছে ‘৩৫ চাই’ আন্দোলন। ২০১৯ সালে কয়েক দফা কর্মসূচি পালন ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটেছে গ্রেপ্তারের ঘটনাও।তাদের মধ্যে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব ও মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় আন্দোলন কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছিলো।

 

গত বছরের ২৫ এপ্রিল চাকরি প্রত্যাশীদের বহুল কাঙ্ক্ষিত চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার প্রস্তাব জাতীয় সংসদে ওঠে। তবে তা নাকচ করে দিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, পড়াশোনা শেষ করার পর একজন ছাত্র অন্তত সাত বছর সময় পেয়েছে। এটা অনেক সময়। তাছাড়া এর আগে চাকরির বয়স ২৫ বছর ছিল, সেখান থেকে ২৭ ও পরবর্তীতে ৩০ বছর করা হয়। সে হিসেবে এখন বাড়ানোর যৌক্তিকতা নেই।

আরও পড়ুন  উপনির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

 

এ সময় তিনি প্রস্তাব উত্থাপনকারী সংসদ সদস্যকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানান এবং প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। কিন্তু বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাবলু সেটি প্রত্যাহারে রাজি না হলে কণ্ঠভোটের আয়োজন করা হয়। কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। মূলত প্রস্তাবটি পাস না হওয়াতেই তীব্র হতাশ হয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

 

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন...

সর্বশেষ সংবাদ